Breaking News
Home / ঘরোয়া টিপস / আমড়া ফলের পুষ্টিগুণ

আমড়া ফলের পুষ্টিগুণ

সুস্বাদু ফলের তালিকায় “আমড়া” উপরের সারির ফল। টক ও মিষ্টি দুই প্রকারের ফলই পাওয়া যায়। দামেও সস্তা। বাংলাদেশে দুই প্রজাতির আমড়াফল চাষ হয়। ১) দেশি আমড়া২)বিলেতি আমড়া। দেশি আমরার থেকে বিলেতি আমরা অনেকটা মিষ্টি। বিলেতি আমরা খাঁচা খেতেই বেশি ভালো লাগে।

আমড়াকে কাঁচা খাওয়া যায়। কেউ বা লবন মরিচ দিয়ে ঝালাই খায়। আবার কেউ কেউ আমরা দিয়ে তরকারি রান্না করেও খায়। সতরাং আমরার চাহিদা বরাবরই অনেক বেশি।

পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আমড়ায় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি, আয়রন, ক্যালসিয়াম আর আঁঁশ আছে, যেগুলো শরীরের জন্য খুব দরকারি। হজমেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই তেল ও চর্বিযুক্ত খাদ্য খাওয়ার পর আমড়া খেয়ে নিতে পারেন; হজমে সহায়ক হবে। আমড়ায় প্রচুর ভিটামিন সি থাকায় এটি খেলে স্কার্ভি রোগ এড়ানো যায়। বিভিন্ন প্রকার ভাইরাল ইনফেকশনের বিরুদ্ধেও লড়তে পারে আমড়া। অসুস্থ ব্যক্তিদের মুখের স্বাদ ফিরিয়ে দেয়।

এছাড়াও সর্দি-কাশি-জ্বরের উপশমেও আমড়া অত্যন্ত উপকারী। শিশুর দৈহিক গঠনে ক্যালসিয়াম খুব দরকারি। ক্যালসিয়ামেরও ভালো উৎস এই আমড়া ফল । শিশুদের এই ফল খেতে উৎসাহিত করতে পারেন। এছাড়া এটি রক্তস্বল্পতাও দূর করে। কিছু ভেষজ গুণ আছে আমড়ায়। এটি পিত্তনাশক ও কফনাশক। আমড়া খেলে মুখে রুচি ফেরে, ক্ষুধা বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে

এছাড়াও আমরা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। খাদ্যে থাকা ভিটামিন এ এবং ই এটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাত থেকে রক্ষা করে। দাঁতের মাড়ি শক্ত করে, দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত, পুঁজ, রক্তরস বের হওয়া প্রতিরোধ করে আমড়া। এর ভেতরের অংশের চেয়ে বাইরের খোসাতে রয়েছে বেশি ভিটামিন সি আর ফাইবার বা আঁশ, যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে করে দ্বিগুণ শক্তিশালী। আর আঁশজাতীয় খাবার পাকস্থলী (স্টমাক), ক্ষুদ্রান্ত, গাছহদন্ত্রের (পেটের ভেতরের অংশবিশেষ) জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ।

User Rating: Be the first one !

About MD ASHRAFUL

Check Also

ঢেঁড়সের পুষ্টি গুনাগুন (পর্ব ০১)

ঔষধি গুণে ভরপুর ঢেঁড়স।সবজিটি রান্না করে কিংবা কাঁচায় খাওয়া যায়। কেউ আবার শুধু সিদ্ধ করেও …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *