Breaking News
Home / ঘরোয়া টিপস / ঢেঁড়সের পুষ্টি গুনাগুন (পর্ব ০১)

ঢেঁড়সের পুষ্টি গুনাগুন (পর্ব ০১)

ঔষধি গুণে ভরপুর ঢেঁড়স।সবজিটি রান্না করে কিংবা কাঁচায় খাওয়া যায়। কেউ আবার শুধু সিদ্ধ করেও খায়। আজকে আমরা ঢেঁড়স এর নানা গুনাগুন সম্পর্কে আলোচনা করবো।

ঢেঁড়সে রয়েছে প্রচুর পরিমানে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম,ভিটামিন এ, বি ও সি। এছাড়াও ঢেঁড়সে রয়েছে ক্যারোটিন, ফলিক এসিড, থায়ামিন এমাইনো এসিড ইত্যাদি।

চলুন দেখে নেই কোন কোন রোগে ঢেঁড়স বেশি উপকারী।
১.হাঁপানি : হাঁপানি রোগীদের জন্য ঢেঁড়স ঔষধের মতো কাজ করে। এছাড়াও হারবাল চিকিৎসায় ঢেঁড়সকে হাঁপানি রোগীর ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও ঢেঁড়স বীজের তেল শ্বাসকষ্ট কমাতে সাহায্য করে।

২.ডায়াবেটিস : ডায়াবেটিস রোগে ঢেঁড়স এর গুনাগুন অনস্বীকার্য। কারণ ব্লাড সুগার কমাতে ঢেঁড়স এর বিকল্প নেই। কারন প্রতি ১০০ গ্রাম ঢেঁড়স এ ০.০৭ মিলি গ্রাম থায়ামিন , ০.০১ মিলি গ্রাম মিয়াসিন এবং ০.০৬ মিবো ফ্লাবিন রয়েছে। যা ডায়াবেটিস রোগীর স্নায়ুতন্ত্রে পুষ্টি সরবারহ করে শতেক রাখে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের খাদ্য তালিকায় ঢেঁড়সকে প্রতিদিন রাখা উচিত।

৩. প্রসবের প্রদাহ : আমাদের অনেকেরই প্রসবের পর অনেক জ্বালাপোড়া করে। ঢেঁড়স হতে পারে এর সমাধান। ঢেঁড়স পানিতে সিদ্ধ করে সেই পিচ্ছিল পানি পান করলে প্রসবের প্রদাহ দূর হয় এবং প্রসব প্রবাহ বৃদ্ধি পায়।

৪.কোষ্টকাঠিন্য দূর করতে : ঢেঁড়স এ রয়েছে প্রচুর আঁশ। যা পাকস্থলীতে খাদ্য দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিতই ঢেঁড়স খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

৫.ব্রণ কমে। নিয়মিত ঢেঁড়স খেলে ব্রণ কম হয়। ঢেড়স ত্বকের ময়লা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। এটি খাওয়ার ফলে শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়। ফলে ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়ে।

৬.হার মজবুত করতে। ঢেঁড়সে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম থাকায় এটি শরীরের হার মজবুত করে। আবার দাঁত ও মাড়ির কাজেও ঢেঁড়সের রয়েছে অনেক গুন্।

About MD ASHRAFUL

Check Also

আমড়া ফলের পুষ্টিগুণ

সুস্বাদু ফলের তালিকায় “আমড়া” উপরের সারির ফল। টক ও মিষ্টি দুই প্রকারের ফলই পাওয়া যায়। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *